হা‌দিস নম্বরঃ 6610

সহীহ বুখারী (তাওহীদ), ৮২/ তাকদীর৬৬১০. আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক যুদ্ধে আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা যখনই কোন উঁচুস্থানে আরোহণ করতাম, কোন উঁচুতে থাকতাম এবং কোন উপত্যকা অতিক্রম করতাম তখনই উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর বলতাম। রাবী বলেন অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকটবর্তী হলেন এবং বললেনঃ ওহে লোকেরা! তোমরা নিজেদের উপর রহম কর। তোমরা কোন বধির বা কোন অনুপস্থিত সত্ত্বাকে ডাকছ না বরং তোমরা ডাকছ  শ্রবণকারী ও দর্শনকারী সত্ত্বাকে। এরপর তিনি বললেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু কায়স! তোমাকে আমি কি এমন একটি কথা শিখিয়ে দিব না, যা হল জান্নাতের ভান্ডারসমূহের অন্যতম? তা হল- لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ। ]২৯৯২]  (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৭)

Narrated Abu Musa: While we were with Allah’s Messenger (ﷺ) in a holy battle, we never went up a hill or reached its peak or went down a valley but raised our voices with Takbir. Allah’s Messenger (ﷺ) came close to us and said, “O people! Don’t exert yourselves, for you do not call a deaf or an absent one, but you call the All- Listener, the All-Seer.” The Prophet (ﷺ) then said, “O `Abdullah bin Qais! Shall I teach you a sentence which is from the treasures of Paradise? ( It is): ‘La haula wala quwata illa billah. (There is neither might nor power except with Allah).

مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ أَبُو الْحَسَنِ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ أَخْبَرَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزَاةٍ فَجَعَلْنَا لاَ نَصْعَدُ شَرَفًا وَلاَ نَعْلُو شَرَفًا وَلاَ نَهْبِطُ فِي وَادٍ إِلاَّ رَفَعْنَا أَصْوَاتَنَا بِالتَّكْبِيرِ قَالَ فَدَنَا مِنَّا رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ ارْبَعُوا عَلَى أَنْفُسِكُمْ فَإِنَّكُمْ لاَ تَدْعُونَ أَصَمَّ وَلاَ غَائِبًا إِنَّمَا تَدْعُونَ سَمِيعًا بَصِيرًا ثُمَّ قَالَ يَا عَبْدَ اللهِ بْنَ قَيْسٍ أَلاَ أُعَلِّمُكَ كَلِمَةً هِيَ مِنْ كُنُوزِ الْجَنَّةِ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ

Advertisements

About ইসলামী সাইট

কুরআন ও সহীহ হা‌দিস
This entry was posted in 82. তাকদীর (৬৫৯৪-৬৬২০). Bookmark the permalink.