হা‌দিস নম্বরঃ 7230

সহীহ বুখারী (তাওহীদ), ৯৪/ কামনা৭২৩০. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম এবং আমরা হাজ্জের তালবিয়া পড়লাম। তারপর যিলহাজ্জ মাসের চারদিন অতিক্রান্ত হবার পর আমরা মক্কা্য় এসে পৌঁছলাম। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বাইতুল্লাহ্ তাওয়াফ করতে এবং সাফা ও মারওয়ার সায়ী করতে নির্দেশ দিলেন এবং এটাকে ‘উমরাহয় পরিণত করে ইহরাম খুলে হালাল হওয়ার জন্য বললেন। যাদের সঙ্গে হাদী (কুরবানীর পশু) ছিল তাদের ছাড়া। জাবির (রাঃ) বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ত্বলহা (রাঃ) ব্যতীত আমাদের আর কারো সঙ্গে হাদী ছিল না। এ সময় ‘আলী (রাঃ) ইয়ামান হতে আসলেন। তাঁর সঙ্গে হাদী ছিল। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেরূপ ইহরাম বেঁধেছেন, আমিও তেমন ইহরাম বেঁধেছি। সহাবীগণ (রাঃ) বললেন, আমরা মিনার দিকে যাচ্ছি। অথচ আমাদের কারো কারো পুরুষাঙ্গ (স্ত্রী সহবাসের জন্য) উত্তেজিত হচ্ছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন ঃ আমি আমার এ কাজে যদি আগে জানতাম যা আমি পরে জানতে পারলাম, তাহলে আমি হাদী সঙ্গে আনতাম না। আর আমার সঙ্গে যদি হাদী না থাকত তাহলে আমি অবশ্যই হালাল হয়ে যেতাম। রাবী বলেন, এমন সময় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র সঙ্গে সুরাকা ইবনু মালিক (রাঃ) সাক্ষাত করলেন যখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামরা-ই আকাবাতে কঙ্কর নিক্ষেপ করছিলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কি কেবল আমাদের জন্যই? তিনি বললেনঃ না, বরং এটা চিরদিনের জন্য। জাবির (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) ঋতুমতী হয়ে মক্কা্য় পৌঁছেছিলেন। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে নির্দেশ করলেন, হাজ্জের যাবতীয় কার্য যথারীতি আদায় কর, তবে পবিত্র হবার পূর্ব পর্যন্ত বাইতুল্লাহ্ তাওয়াফ করো না এবং সালাত আদায় করো না। তারা যখন বাতহা নামক স্থানে নামলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনারা একটি হাজ্জ ও একটি ‘উমরাহ নিয়ে ফিরলেন। আর আমি কেবল একটি হাজ্জ নিয়ে ফিরছি? জাবির (রাঃ) বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ)-কে তাঁকে তানঈমে নিয়ে যাবার হুকুম করলেন। পরে ‘আয়িশাহ (রাঃ) যিলহাজ্জ মাসে হাজ্জের দিনগুলোর পরে একটি ‘উমরাহ আদায় করেন। [১৫৫৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৬)

Narrated Jabir bin `Abdullah: We were in the company of Allah’s Messenger (ﷺ) and we assumed the state of Ihram of Hajj and arrived at Mecca on the fourth of Dhul-Hijja. The Prophet (ﷺ) ordered us to perform the Tawaf around the Ka`ba and (Sa`i) between As-Safa and Al-Marwa and use our lhram just for `Umra, and finish the state of Ihram unless we had our Hadi with us. None of us had the Hadi with him except the Prophet (ﷺ) and Talha. `Ali came from Yemen and brought the Hadi with him. `Ali said, ‘I had assumed the state of Ihram with the same intention as that with which Allah’s Messenger (ﷺ) had assumed it. The people said, “How can we proceed to Mina and our male organs are dribbling?” Allah’s Messenger (ﷺ) said, “If I had formerly known what I came to know latterly, I would not have brought the Hadi, and had there been no Hadi with me, I would have finished my Ihram.” Suraqa (bin Malik) met the Prophet (ﷺ) while he was throwing pebbles at the Jamrat-Al-`Aqaba, and asked, “O Allah’s Messenger (ﷺ)! Is this (permitted) for us only?” The Prophet (ﷺ) replied. “No, it is forever” `Aisha had arrived at Mecca while she was menstruating, therefore the Prophet (ﷺ) ordered her to perform all the ceremonies of Hajj except the Tawaf around the Ka`ba, and not to perform her prayers unless and until she became clean . When they encamped at Al-Batha, `Aisha said, “O Allah’s Messenger (ﷺ)! You are proceeding after performing both Hajj and `Umra while I am proceeding with Hajj only?” So the Prophet (ﷺ) ordered `Abdur-Rahman bin Abu Bakr As-Siddiq to go with her to at-Tan`im, and so she performed the `Umra in Dhul-Hijja after the days of the Hajj.

الْحَسَنُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنْ حَبِيبٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَلَبَّيْنَا بِالْحَجِّ وَقَدِمْنَا مَكَّةَ لِأَرْبَعٍ خَلَوْنَ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ فَأَمَرَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ نَطُوفَ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَأَنْ نَجْعَلَهَا عُمْرَةً وَنَحِلَّ إِلاَّ مَنْ كَانَ مَعَهُ هَدْيٌ قَالَ وَلَمْ يَكُنْ مَعَ أَحَدٍ مِنَّا هَدْيٌ غَيْرَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَطَلْحَةَ وَجَاءَ عَلِيٌّ مِنْ الْيَمَنِ مَعَهُ الْهَدْيُ فَقَالَ أَهْلَلْتُ بِمَا أَهَلَّ بِهِ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا نَنْطَلِقُ إِلَى مِنًى وَذَكَرُ أَحَدِنَا يَقْطُرُ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِنِّي لَوْ اسْتَقْبَلْتُ مِنْ أَمْرِي مَا اسْتَدْبَرْتُ مَا أَهْدَيْتُ وَلَوْلاَ أَنَّ مَعِي الْهَدْيَ لَحَلَلْتُ قَالَ وَلَقِيَهُ سُرَاقَةُ وَهُوَ يَرْمِي جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ أَلَنَا هَذِهِ خَاصَّةً قَالَ لاَ بَلْ لِأَبَدٍ قَالَ وَكَانَتْ عَائِشَةُ قَدِمَتْ مَعَهُ مَكَّةَ وَهِيَ حَائِضٌ فَأَمَرَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ تَنْسُكَ الْمَنَاسِكَ كُلَّهَا غَيْرَ أَنَّهَا لاَ تَطُوفُ وَلاَ تُصَلِّي حَتَّى تَطْهُرَ فَلَمَّا نَزَلُوا الْبَطْحَاءَ قَالَتْ عَائِشَةُ يَا رَسُولَ اللهِ أَتَنْطَلِقُونَ بِحَجَّةٍ وَعُمْرَةٍ وَأَنْطَلِقُ بِحَجَّةٍ قَالَ ثُمَّ أَمَرَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ أَنْ يَنْطَلِقَ مَعَهَا إِلَى التَّنْعِيمِ فَاعْتَمَرَتْ عُمْرَةً فِي ذِي الْحَجَّةِ بَعْدَ أَيَّامِ الْحَجِّ.

Advertisements
This entry was posted in 94. কামনা (৭২২৬-৭২৪৫). Bookmark the permalink.